ময়মনসিংহের ত্রিশালে মাসের পর মাস পলাতক ও দাগী আসামি চেয়ারম্যানদের কাছ থেকে গোপনে স্বাক্ষর এনে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট ইউপি সচিবদের বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভায় কঠোর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন।
বুধবার সকালে উপজেলার প্রয়াত ইউএনও রাশেদুল ইসলাম কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি বলেন, “একজন চেয়ারম্যান দীর্ঘদিন উপজেলা অফিস ও আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে অনুপস্থিত। অথচ তার নামে অফিস চলছে। এটা কীভাবে সম্ভব?”
তিনি অভিযোগ করেন, কিছু ইউনিয়নে চেয়ারম্যানরা মামলার আসামি হয়ে পলাতক থাকলেও সচিবরা গোপনে তাদের কাছ থেকে স্বাক্ষর নিয়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম চালাচ্ছেন। এ ঘটনাকে তিনি ‘খুবই গুরুতর ও অগ্রহণযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে বলেন, “যদি কোনো পলাতক বা দাগী আসামি চেয়ারম্যানের কাছ থেকে লুকিয়ে সই এনে অফিস পরিচালনা করা হয়, তাহলে সেটি প্রশাসনের জন্য বড় প্রশ্ন।”
সংসদ সদস্য আরও বলেন, “পুলিশ যদি কোনো চেয়ারম্যানকে খুঁজে না পায়, তাহলে সচিব কীভাবে জানেন তিনি কোথায় আছেন? সই আনতে গেলে নিশ্চয়ই তার অবস্থান সম্পর্কে ধারণা থাকে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা দরকার।”
তিনি সংশ্লিষ্ট সচিবদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে বলেন, “প্রয়োজন হলে সাসপেন্ড করতে হবে। একজন পলাতক আসামি বসে বসে প্রশাসনিক কার্যক্রম চালাবে—এটা স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় চলতে পারে না।”
এদিকে সভায় তিনি মাদক নিয়ন্ত্রণে বিশেষ টিম বা মোবাইল স্কোয়াড গঠনেরও প্রস্তাব দেন। তার ভাষায়, “লক্ষ্য স্থির রেখে এক বা একাধিক ফোর্স নিয়ে সরাসরি অ্যাকশনে যেতে হবে। মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং জনগণকে জানাতে হবে।”
পাশাপাশি থানার পক্ষ থেকে ইউনিয়নভিত্তিক মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের তালিকা চেয়ে তিনি বলেন, “আগের মিটিংয়ে আমরা তালিকা চেয়েছিলাম, পাইনি। আগামী মিটিংয়ে উইদাউট ফেইল এই তালিকা দিতে হবে।”
উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, “নেক্সট মিটিংয়ের আগেই দৃশ্যমান অ্যাকশন চাই। পুলিশ প্রশাসনকে এ বিষয়ে সক্রিয় হয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।”
বুধবার সকালে উপজেলার প্রয়াত ইউএনও রাশেদুল ইসলাম কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি বলেন, “একজন চেয়ারম্যান দীর্ঘদিন উপজেলা অফিস ও আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে অনুপস্থিত। অথচ তার নামে অফিস চলছে। এটা কীভাবে সম্ভব?”
তিনি অভিযোগ করেন, কিছু ইউনিয়নে চেয়ারম্যানরা মামলার আসামি হয়ে পলাতক থাকলেও সচিবরা গোপনে তাদের কাছ থেকে স্বাক্ষর নিয়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম চালাচ্ছেন। এ ঘটনাকে তিনি ‘খুবই গুরুতর ও অগ্রহণযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে বলেন, “যদি কোনো পলাতক বা দাগী আসামি চেয়ারম্যানের কাছ থেকে লুকিয়ে সই এনে অফিস পরিচালনা করা হয়, তাহলে সেটি প্রশাসনের জন্য বড় প্রশ্ন।”
সংসদ সদস্য আরও বলেন, “পুলিশ যদি কোনো চেয়ারম্যানকে খুঁজে না পায়, তাহলে সচিব কীভাবে জানেন তিনি কোথায় আছেন? সই আনতে গেলে নিশ্চয়ই তার অবস্থান সম্পর্কে ধারণা থাকে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা দরকার।”
তিনি সংশ্লিষ্ট সচিবদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে বলেন, “প্রয়োজন হলে সাসপেন্ড করতে হবে। একজন পলাতক আসামি বসে বসে প্রশাসনিক কার্যক্রম চালাবে—এটা স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় চলতে পারে না।”
এদিকে সভায় তিনি মাদক নিয়ন্ত্রণে বিশেষ টিম বা মোবাইল স্কোয়াড গঠনেরও প্রস্তাব দেন। তার ভাষায়, “লক্ষ্য স্থির রেখে এক বা একাধিক ফোর্স নিয়ে সরাসরি অ্যাকশনে যেতে হবে। মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং জনগণকে জানাতে হবে।”
পাশাপাশি থানার পক্ষ থেকে ইউনিয়নভিত্তিক মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের তালিকা চেয়ে তিনি বলেন, “আগের মিটিংয়ে আমরা তালিকা চেয়েছিলাম, পাইনি। আগামী মিটিংয়ে উইদাউট ফেইল এই তালিকা দিতে হবে।”
উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, “নেক্সট মিটিংয়ের আগেই দৃশ্যমান অ্যাকশন চাই। পুলিশ প্রশাসনকে এ বিষয়ে সক্রিয় হয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।”
এনামুল হক ত্রিশাল ( ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: